“ঐ যাইবো, পোষ্টাপিস, আজিমপুর, টি.এচ.চি, গুলিস্থান, পাকিস্থান, আপগানিস্থান . . . . . . . . . . .”
একঘেয়ে কিন্তুু নিয়মিত ভাবে ডেকেই চলছে হেলপার। রাহাত অন্যদিন হলে কোন চিন্তা না করেই উঠে পড়ত।
কিন্তুু আজ অবস্থা ভিন্ন। পাইকারি দরে বৃষ্টি পড়ছে । শেষ পর্যন্ত উপায় না দেখে উঠেই পড়ল রাহাত। ১২ জনের সিটে বসেছে ১৬ জন। যদিও ভিড়ের চাপে রাহাতের নিজেকে বার্গারের মাঝে থাকা লেটুস পাতার মত মনে হল তবুও তার ভালই লাগছিল। সবাই ছাএ। বৃষ্টি মাথায় করেই টেম্পু ছেড়ে দিল। যেহেতু সবাই পরিচিত, তাই হৈ চৈ, আড্ডা, গান আর বৃষ্টির ছন্দে ছন্দে আজিমপুর চলে এল। কিন্তুু সমস্যা হল আজিমপুরের কাছে এসে । সবাই খেয়াল করল একটা রিকসায় এক তরুনী একা বসে আছে , আর এক যুবক মেয়েটির ব্যাগ নিয়ে দাড়িয়ে আছে। নির্ঘাত ছিনতাই অথবা ইভ টিজিং কেস। দেখা মাএই টেম্পুর যাএিদের মাঝে বাংলা ছবির নায়ক জেগে উঠল কোন এক নায়ক টেম্পুতে থাপ্পর মেরে বলল “ম্মাম্মা , তোমার পেলেন থামাও” । নাইকাকে বিপদ থেকে বাচানোর মহান উদ্দেশ্যে রাহাতদের টেম্পু থেকে কতিপয় নায়ক কলেজের ৪০০ মিটার দৌড়ের অভিঙ্গতা কাজে লাগিয়ে স্পটে পৌছাল। রাহাত সহ বাদবাকিরা সিদ্ধান্ত নিল যে,
“ টেম্পুতে থেকে অবস্থান র্ধমঘট পালন অধিকতর নিরাপদ”।
টেম্পুর দর্শকেরা যখন ঘটনার ঘনঘটায় ঘনিভূত, তখনি ঘটল ঘটনাটা । আচমকাই নায়কের ঝাক উল্টো ঘুরে টেম্পুর দিকেই দৌড়াতে লাগল। এসেই কেউ একজন নিজ দায়িত্বে টেম্পুতে থাপ্পর মেরে বলল
“ম্মাম্মা পালাও”।
নিজের নিরাপওার খাতিরেই হোক আর ভাগিনাদের কথায়ই হোক , রাহাতদের জাতীয় মামা “ঝাইরা টান” দিল। পরে শোনা গেল আসল ঘটনা। ঐ ছেলেটা ছিল মেয়েটার বয়ফ্রেন্ড। অভিমানের(!) কারনেই ছেলেটাকে এভাবে শাস্তি দিচিছল।
এরপর . . . . . . . . . . . . . .
এরপর আর কি? রাহাতরা সবাই মিলে আগের মতই হৈ চৈ , গান , আর ঘটনার আলোচনা করতে করতে পাকিস্তান না মানে গুলিস্তানের উদ্দেশ্যে ছুটে চলল ॥
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন